হারশাদ মেহতা কি আসলেই চোর ছিল? SCAM 1992 | Explained in Bangla | Enayet Chowdhury

***SPOILER ALERT***

হারশাদ মেহতা – কখনো তাকে স্টক মার্কেটের অমিতাভ বচ্চন বলা হইতো। অথবা কখনো শেয়ারবাজারের আইনস্টাইন। দক্ষিণ মুম্বাইয়ে তার ১৫ হাজার বর্গফুটের পেন্টহাউজে ছিল একটি মিনি গলফ কোর্স, একটি সুইমিংপুল, আর বাড়িটা ছিলো সী-ফেসিং। সামনে এসে দাঁড়াইলে খালি পানি আর পানি। তার স্ক্যামের খবরটা যখন ফাঁস হয় তখন, তার ও তার পরিবারের নামে ৭০ টা ক্রিমিনাল কেস এবং ৬০০ টারও বেশি সিভিল কেস ফাইল করা হয়!

হারশাদ মেহতা কি আসলেই চোর ছিল? SCAM 1992 | Explained in Bangla | Enayet Chowdhury

এই লোক দাবি করেন, তিনি তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী Narasimha Rao কে ১ কোটি রুপি দিছিলেন তাকে এইসব কেস থেকে মুক্তি দেওয়ার জন্য।

1 Crore Rupees!

কিংবা কিছু সোর্সমতে তার ইলেকশন ক্যাম্পেইনের জন্য। এমনকি উনি যে স্যুটকেসটা দিয়ে এই এক কোটি রূপি প্রধানমন্ত্রীর বাসায় নিয়ে গেছিলেন সেই স্যুটকেসটা পর্যন্ত উনি প্রেস কনফারেন্সে এনে দেখাইছিলেন!

The Legendary Suitcase!

যদিও সেই অভিযোগটা আর শেষ পর্যন্ত প্রমাণিত হয় নাই!

Credit: www.abpnews.in

আদতে হারশাদ মেহতা এবং পুরো সিস্টেম মিলে কীভাবে এত বড় একটা স্ক্যাম ঘটাইলো, যেখানে প্রায় ৫ হাজার কোটি রুপি Involved এবং এখানে আসলেই শুধুমাত্র হারশাদ মেহতার দোষ আছে কিনা, এই পুরো ব্যাপারটি নিয়েই আমি আজকের ভিডিওতে আলোচনা করবো। তো চলুন শুরু করা যাক।😀

 

হারশাদ শন্তিলাল মেহতা। জন্ম জুলাই ২৯, ১৯৫৪, যেরকমভাবে আমি আগেই বলসিলাম বড় বড় মানুষদের জন্ম জুলাই মাসেই হয়!

Harshad Mehta Wiki…

 

উনি তার Early Life কাটাইছিলেন Mumbai এ এবং পরবর্তীতে Bhilai এ আসছিলেন। Lala Lajpat Rai College থেকে উনি তার গ্র্যাজুয়েশন কমপ্লিট করেন, অবশ্যই কমার্স এ! এবং তারপরে কিছু বছর উনি কিছু অড জব করেন। New India Assurance Company নামে একটা কোম্পানি ছিল। ওইখানে জয়েন করার পরই উনি মূলত স্টক মার্কেট সম্পর্কে আইডিয়া নেওয়া শুরু করেন। এবং পরবর্তীতে এই জব ছাইড়া দিয়া উনি একটা ব্রোকারেজ ফার্মে জয়েন করেন, যেইটার মেইন পারসন ছিল Prasann Pranjivandas। সেইখান থেকে হারশাদ মেহতার জীবনের শেয়ার মার্কেট রিলেটেড চ্যাপ্টারটা স্টার্ট হয়। Scam 1992 এর মধ্যে আপনি দেখবেন প্রথমে হারশাদ মেহতা কিন্তু একজন জবারের(Jobber) চাকরি নেন। এখন জবারের চাকরিটা আসলে কী, সেটাকে এত জোসভাবে Scam 1992 এর মধ্যে দেখানো হইছে যে পুরাপুরি আপনি ফিল পাবেন, যে একজন জবার আসলে কী করে রিং এর মধ্যে।


হঠাৎ করে আপনি দেখবেন হারশাদ মেহতার কাছে একটা লোক আসে। আইসা জিজ্ঞেস করে প্রিমিয়ার অটোর স্টকের দাম কত। হারশাদ মেহতা তখন বলে ৩২.৫-৩৫ রুপি। এখন এইটার মানে কী? এই দামটার প্রথমটা(৩২.৫), এটাকে বলা হয় বিড প্রাইস(Bid Price) আর পরেরটা(৩৫) এটাকে বলা হয় আস্ক প্রাইস(Ask Price)। আমি যদি আপনার কাছ থেকে অর্থাৎ, যে প্রিমিয়ার অটোর এই কথাটা জিজ্ঞেস করছে তার কাছ থেকে স্টকটা কিনতে চাই তাইলে আমি ৩২.৫ রুপিতে কিনবো। কিন্তু আমি যদি আমার নিজের স্টক তার কাছে বেচতে চাই, তাইলে এটা ৩৫ রুপিতে বেঁচবো। স্টক মার্কেটে সবচেয়ে বড় সমস্যাই হলো, জবারদের কেউ যখন তাদের কাছে আসে, সে আসলে বায়ার নাকি সেলার এইটা সাইকোলজিক্যালি ওদেরকে বুঝতে হয়! সো, ওই ভাবেই তাদের দামটা সেট করতে হয়। তো প্রথম ধাপে ৩৫ এ ৫০০ টা শেয়ার বিক্রি কইরা দিলো। এরপরে ওই লোকটা সাথে সাথেই আবার ৫০০ টা শেয়ার কিনতে চাইসে।তখন হারশাদ মেহতা কিন্তু আর সেইম দামে বেঁচবে না। তখন সে দামটা বাড়াই দিছে! তখন সে বলছে ৩৫-৩৭.৫ রুপি। এখন কিনতে হইলে প্রতিটা শেয়ার ৩৭.৫ রুপিতে কিনতে হবে। সে ঐটাও কিনে ফেলসে! পরে সে আরো ১০০০ শেয়ার কিনতে বলসে সেইম দামে। কিন্তু হারশাদ মেহতা বলসে, না এখন ও আরো বেশি দামে বেঁচবে। এখন ও বলতেসে ৩৭.৫-৪০।

আমার কাছে সবচেয়ে বেশি অবাক লাগসে যে এই জবারের কাজটা এতো সুন্দর ভাবে Scam 1992 এর মধ্যে দেখাইসে যে এইটা খুবই জোস। হারশাদ মেহতা বুঝতে পারছিলো যে, এইভাবে জবারের কাজ কইরা আসলে খুব বড় টাকাপয়সা আর্ন করা কোনোদিন পসিবল না। কারণ মেইন প্রফিটটা সব সময় ব্রোকার যে, সে রাইখা দেয়। ব্রোকার হচ্ছে এইখানে হারশাদ মেহতার মালিক।

আর এমনিতে স্টক মার্কেটে ব্রোকারের কাজটা হইলো, ধরেন আপনি একটা স্টক কিনতেছেন কিংবা বেঁচতেছেন। এখন কোথায় বেঁচবেন বা কোথায় কিনবেন? কোন স্টক কী করবেন? এই নলেজটা কিন্তু একজন ইনভেস্টরের কাছে সাধারণত থাকে না। এই নলেজটা থাকে ব্রোকারের কাছে।

The Process

ব্রোকার ইনভেস্টরকে বইলা দেয়, যে আপনি এই শেয়ারটা কিনেন কিংবা এই শেয়ারটা বেঁচেন। এর বিনিময়ে ব্রোকার একটা ফি রাখে, যেটাকে বলা হয় Brokerage Fee। হারশাদ মেহতা এবং তার ভাই আশউইন মেহতা মিলে এইরকম ভাবে ব্রোকারের কাজ করা শুরু করলো। এবং তাদের কনসালটেন্সি ফার্মের নাম দিল “GrowMore Research and Asset Management“. এবং ১৯৯০ সালের মধ্যে ওরা মার্কেটে খুবই শক্ত একটা অবস্থান দাঁড় করায় ফেললো এবং প্রচুর টাকা পয়সা কামাইলো।


আলোচনার ঠিক এই জায়গায় আপনাদেরকে দুইটা কনসেপ্টের সাথে পরিচিত হইতে হবে। একটা হচ্ছে Bull আরেকটা হচ্ছে Bear। শেয়ার মার্কেটে Bull তাদেরকেই বলা হয়, যারা স্টকের প্রাইস বাড়াইতে পারলে তাদের অনেক বেশি প্রফিট ইনকাম হয়। মনে করেন আমার কাছে ৫ টাকা দামের একটা স্টক আছে। আমি চাইবো এই স্টকের দামটা যাতে ১০ টাকা হয়া যায়। Then আমি ওইটা বেচলে ১০-৫, ৫ টাকার একটা প্রফিট পাবো। তো আমি হইলাম এখানে Bull. আমি শেয়ারের প্রাইস আপওয়ার্ড রাখতে চাইবো। Bullish ট্রেন্ডে রাখতে চাই। উপরের দিকে রাখতে চাই। আর Bear বলতে আরেক ধরনের স্টক মার্কেটের খেলোয়াড়রা আছে, যাদের ক্ষেত্রে স্টকের প্রাইস যত কম থাকবে তাদের প্রফিট তত বেশি হবে! এটাকে Short Seller বলে বা Short Selling বলে যেটার ব্যাখ্যাটা আমি গেম স্টপ এর আর্টিকেলে দিছিলাম। আপনারা চাইলে ওইটা দেখে আসতে পারেন। Bear দের কাজটা একটু জটিল যে ওরা কীভাবে স্টকের দাম কমায় রাইখা প্রফিট কামায়, এইটা খুবই কমপ্লেক্স একটা ব্যাপার, বাট এটা করা যায়! সো স্টক মার্কেটে এরকম দুইটা Cartel থাকে একটা হচ্ছে Bull Gang বা Bull Cartel, আরেকটা হচ্ছে Bear Gang বা Bear Cartel.

 

এখন একটা জায়গায় দেখবেন, হারশাদ মেহতা মানি মার্কেট এ প্রবেশ করে। স্টক মার্কেট আর মানি মার্কেটের মধ্যে ব্রোকারদের কাজের একটা পার্থক্য আছে। এইবার চলেন দেখি মানি মার্কেট আসলে কী জিনিস? মানি মার্কেট হচ্ছে সেই সিস্টেম যেখানে ব্যাংক বিভিন্ন ইনস্টিটিউশনকে শর্ট টার্মে লোন দিয়ে থাকে। আপনারা দেখবেন Government এর কিন্তু বিভিন্ন সময় বাজেটের মধ্যে ঘাটতি থাকে। যেমন আমাদের রিসেন্ট বাজেটের মধ্যে রেকর্ড পরিমাণ ঘাটতি হইসে।

Credit: www.xinhuanet.com


এই ঘাটতিটা কিন্তু Government মিটায় জনগণের কাছ থেকে লোন নেওয়ার মাধ্যমে বা জনগণের কাছ থেকে টাকা নেওয়ার মাধ্যমে এবং এর বিনিময়ে Government কিছু সিকিউরিটি ইস্যু করে। এর সবচেয়ে বড় এক্সাম্পল হচ্ছে সঞ্চয়পত্র। আপনারা সঞ্চয়পত্রের কথা অনেক শুনছেন। আপনি আপনার টাকা বাংলাদেশ ব্যাংকে দিলে তার বিনিময়ে আপনাকে একটা সঞ্চয়পত্র দেওয়া হবে, ওইটাই হচ্ছে Government Security। এন্ড এই সিকিউরিটিটা হচ্ছে Non-tradable। আপনি সঞ্চয়পত্র কিন্তু কারো কাছে বেঁচতে পারেন না। এটা দিয়ে ব্যবসা করতে পারেন না। কিছু কিছু সিকিউরিটি আছে যেগুলা হচ্ছে Tradable। আপনি এইটা দিয়ে ব্যবসা করতে পারেন। যেমন: এর মধ্যে আছে ট্রেজারি বিল, Bangladesh Government Treasury Bonds(BGTB), এগুলা হচ্ছে Tradable Government Securities। 

 

হারশাদ মেহতা আসলে স্ক্যামটা কীভাবে করছিলো এটা বোঝার জন্য বোঝার জন্য আপনার সিকিউরিটি আর মানি মার্কেটের কনসেপ্টটা খুবই জরুরী। আপনি যদি কোনো ব্যাংক একাউন্ট খুলতে চান, আপনি কিন্তু বাংলাদেশ ব্যাংকে কোনো ব্যাংক একাউন্ট খুলতে পারবেন না। এটা কোনো কমার্শিয়াল ব্যাংক না। অন্য যে কমার্শিয়াল ব্যাংক আছে এর মধ্যে সরকারি কিছু ব্যাংক আছে, আর বেসরকারি ব্যাংক তো অনেক আছেই। সরকারি ব্যাংকগুলার মধ্যে কী হইতে পারে, যেমন: সোনালী ব্যাংক, জনতা ব্যাংক, অগ্রণী ব্যাংক, রূপালী ব্যাংক এরা হচ্ছে সরকারী কমার্শিয়াল ব্যাংক। আপনি যদি কখনো লোন নেন তাইলে তাদের কাছ থেকে লোন নিবেন।এখন ওদেররে টাইট দিয়া রাখে হচ্ছে বাংলাদেশ ব্যাংক!

কীভাবে টাইট দেয়?

বাংলাদেশ ব্যাংক ওদেরকে বইলা দেয়। দেখো বস, তোমাদের কাছে যত টাকা পয়সা আছে সব তোমরা লোন দিতে পারবা না। এর মধ্যে একটা মিনিমাম অ্যামাউন্ট অফ টাকা, তুমি বাংলাদেশ ব্যাংকের সিকিউরিটি কেনার কাজে ব্যয় করবা অর্থাৎ বন্ড কিনতে পারো বা অন্য যেকোনো ধরনের সিকিউরিটি। ওইটা কিনে রাখবা, ঐ টাকাটা ওইখানে ইনভেস্ট করে রাখবা, এইটা তুমি লোন হিসেবে বাজারে ছাড়তে পারবা না। এইযে এমাউন্টটা না ছোট্ট আমাউন্টটা, যেটা বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছে গচ্ছিত আকারে রাখতে হয় kind of এটাকে বলা হয় Statutory Liquidity Ratio (SLR)। এটা বিভিন্ন দেশে বিভিন্ন রকম থাকে। এই SLR এর ভ্যালু ইন্ডিয়াতে খুব সম্ভবত ১৯.৫% এর মতোন। বাংলাদেশে জুন, ২০২১ এর রিপোর্টমতে ১৩% এর মতোন।

Credit: www.thedailystar.net

দুইটা এরকম প্যারামিটার এর মাধ্যমে বাংলাদেশ ব্যাংক এই জিনিসগুলোকে কন্ট্রোল করে। একটা হচ্ছে এই SLR, আরেকটা হচ্ছে CRR, এটাকে বলে Cash Reserve Ratio.


এখন ব্যাংকের মধ্যে কিছু সমস্যা হইতে পারে, এবং এই সমস্যাটাকেই হারশাদ মেহতা কাজে লাগাইসে! সমস্যাটা কী দেখেন। মনে করেন, একটা ব্যাংক আছে Bank-A আরেকটা ব্যাংক আছে Bank-B. Bank-A এর কাছে হঠাৎ করে অনেক বেশি ক্যাশ চলে আসছে। তাইলে বেশি ক্যাশ হইলে সমস্যাটা হচ্ছে এই ক্যাশের একটা অংশ তো আবার বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছে দিয়ে দিতে হবে। সো ওরা কী করে, এই ক্যাশটাকে কোনোভাবে যদি ছাঁটাই করতে পারে, তাইলে ওদের জন্য ভালো। আবার মনে করেন Bank-B, ওদের কাছে সিকিউরিটিজ বেশি হয়া গেছে, ওদের কাছে ক্যাশ কম। ওই সিকিউরিটিটা ওরা কোনো না কোনো ভাবে সরাইতে চায়। কারণ বেশি আপনার কাছে যদি সিকিউরিটি হয়, আপনার কাছে তো টাকা নাই! আপনি অন্যদেরকে লোন দিতে পারতেছেন না। ঐখান থেকে আপনি ইন্টারেস্ট পাইতেন ঐটাও পাইতেছেন না। সো সিকিউরিটি বেশি হওয়াও যেমন খারাপ, ক্যাশ বেশি হওয়াও তেমনি খারাপ! এখন দেখেন Bank-A এর লাগবে কিন্তু সিকিউরিটি, ব্যাংক B এর লাগবে ক্যাশ। তো, Bank-A আর Bank-B ওরা এখন আর বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছে যাবে না। ওরা নিজেদের মধ্যে একটা ডিল করবে। যে দেখো, আমার ক্যাশটা তুমি নাও, এর বিনিময়ে যতটুকু সিকিউরিটি দরকার, তুমি দিতে পারবা, ওই সিকিউরিটি আমাকে দিয়া দাও, ঐ মূল্যমানের। মনে করেন 5 কোটি টাকার ক্যাশ দিলে, Bank-B তখন Bank-A কে 5 কোটি টাকার একটা সিকিউরিটি দিবে। এইযে দুইটা ব্যাংকের মধ্যে একটা ডিল হইলো এইটাকেই বলা হয় Ready Forward Deal বা Repurchase Agreement। এই রেডি ফরওয়ার্ড ডিল এর কথা আপনি Scam 1992 তে অনেকবার শুনবেন।

এখন Bank-B যেটা করবে, ব্যাংক B এর কাছে যেই সিকিউরিটিগুলা আছে, এই সিকিউরিটিগুলা ট্রান্সফার করা অনেক বেশি সময়ের কাজ। এই সময়টা ওদের হাতে নাই! ওরা যেটা করে ওরা একটা রিসিট বানায়। ঐ রিসিটের মধ্যে ওরা বইলা দেয় যে, দেখো সিকিউরিটি আমার কাছে আছে কোন সমস্যা নেই। তোমাকে একটা রিসিট এর মধ্যে সাইন দিয়ে দিলাম, এইটাই আমাদের গ্যারান্টি যে তুমি সিকিউরিটিটা পায়া গেছো। পরে আমি তোমাকে আবার ক্যাশটা ব্যাক কইরা  দিবো, ১৫ দিনের একটা সময় থাকে। এইযে একটা রিসিট Bank-B, Bank-A কে দিলো যে, ভাই আমার কাছে সিকিউরিটি আছে আপনি নিশ্চিন্ত থাকেন। এই রিসিটটাকেই বলা হয় BR বা Bank Receipt

 

এই BR নিয়েই যত বড় ধরনের স্ক্যান্ডাল হইসে হারশাদ মেহতা রিলেটেড! এখন মানি মার্কেটে ব্রোকারদের যেই কাজটা, 1990s এর দিকে তো এতো বেশি ডিজিটাল সিস্টেম ছিল না। তো কোনো ব্যাংকের কাছে ক্যাশ আছে, আর কোনো ব্যাংকের কাছে সিকিউরিটিজ আছে। এই দুইটার মধ্যে ম্যাচ করানোর যে দায়িত্বটা এই দায়িত্বটাই মূলত পালন করতো হচ্ছে ব্রোকাররা! সো স্টক মার্কেটে যেরকম ব্রোকার থাকতো, মানি মার্কেটেও সেরকম ব্রোকার আসা শুরু করসে। এন্ড এই ট্রানজেকশন এর বিনিময়ে ব্রোকার একটা ফি পাইতো। এখন হারশাদ মেহতা যে কতো বড়ো একজন জিনিয়াস ছিল(!), এই জায়গাটা থেকেই আমরা শুরু করি।

হারশাদ মেহতা কিন্তু স্টক মার্কেটের মধ্যে একজন Bull যেহেতু ছিল। ওর অনেক ফান্ড দরকার হইতো। কোনো একটা নির্দিষ্ট কোম্পানির স্টক যেমন ACC কিংবা Polo বা Videocon এই স্টকগুলোকে অনেক বেশি পরিমাণে সে কিনতো। এটার একটা আর্টিফিশিয়াল ডিমান্ড তৈরি করতো। যখন হারশাদ মেহতার মতোন এত বড় একজন স্টক মার্কেটার, সে একটা কোম্পানির এত বেশি স্টক এতো বেশি পরিমাণে কিনতেসে, ঐটার একটা ডিমান্ড তৈরি হয়। কারণ স্টক মার্কেটের মধ্যে আসলে এই বিশ্বাসটাই অনেক বেশি ম্যাটার করে যে, কোন কোম্পানির স্টক আসলে কতটুকু উপরে যাবে। এন্ড আর্টিফিশিয়াল ডিমান্ড তৈরি করার মাধ্যমে এই স্টক এর প্রাইসগুলো অনেকক্ষেত্রে ACC এর প্রাইস ২০০ রুপি থেকে প্রায় ৯ হাজার রুপি পর্যন্ত উনি নিয়া গেছিলেন, যেটা প্রায় ৪৪০০% বৃদ্ধি! এতো পরিমাণে স্টক কেনার জন্য ওনার কিন্তু অনেক বড় ধরনের ফান্ড দরকার ছিল। এই ফান্ডটা উনি কার কাছ থিকা নিবেন, এই ফান্ডটা উনি নিতেন ইন্ডিয়ায় যে কমার্শিয়াল ব্যাংকগুলা আছে, ওই ব্যাংকগুলার কাছ থেকে। ওনার সিস্টেমটা অনেক ইউনিক ছিল। অলরেডি তো আপনারা BR এর কথা শুনছেনই। মনে করেন, একটা ছোট ব্যাংক আছে Bank-B। এক্ষেত্রে Bank of Karaj এর কাছে উনি গেছিলেন। আরেকটা ব্যাংক আছে Bank-A। Bank-A যখন ক্যাশ দিতে যাবে, মনে করেন, Bank-B এর কাছে এখন ওই সিকিউরিটিজ নাই! কিন্তু Bank-B চাইলে ওই BR টা ইস্যু করতে পারে। বলতে পারে যে, না আমার কাছে ওই সিকিউরিটিটা আছে, মিথ্যা কথা বলতে পারে! এখন ওইটা চেক করার জন্য সেই 1990s এ তো এত ডিজিটাল সিস্টেম ছিল না! এটা চেক কে কখন করবে যে আসলেই ওর কাছে ওই টাকার সিকিউরিটিটা আছে কিনা। তখন সে একটা BR ইস্যু কইরা দিতো। এন্ড ওই BR টা Bank-A নিয়া নিতো যে না ওর কাছে তো সিকিউরিটি আছে। হারশাদ মেহতা যেটা করতো, মনে করেন Bank-A এর কাছে ২০০ কোটি টাকা আছে। সে Bank-B এর কাছে দিবে সিকিউরিটিজের বিনিময়ে বা BR এর বিনিময়ে। ঐ 200 কোটি টাকা ঐ ব্যাংকের অ্যাকাউন্টে আর যাইতো না। ওইটা  ডিরেক্টলি চইলা যাইতো হারশাদ মেহতার অ্যাকাউন্টে! Then, হারশাদ মেহতা এই টাকাটা ইনভেস্ট করতো স্টক মার্কেটে। দেখেন, মানি মার্কেটের টাকা সে ইনভেস্ট করতেসে স্টক মার্কেটে, এন্ড ঐখান থেকে যে প্রফিটটা সে কামাইতো, সেই প্রফিটটা এন্ড ২০০ কোটি টাকা এই পুরাটা আবার Bank-B এর কাছে ফেরত দিতো! সো টাকা কিন্তু আবার আইসা পরলো। ১৫ দিনের মধ্যেই সে সবকিছু স্কয়ার অফ কইরা দিতো। এবং সে যে প্রফিটটা কামাইতো তার একটা অংশ তো সে নিজেই রাখতো। আর একটা অংশ যেই ব্যাংক এর কাছ থেকে ব্যাংক রিসিট  নিসে সেই ব্যাংকের কাছে আবার সে ফেরত দিতো। এইযে ব্যাংককে একটা কমিশন দেওয়া হইতেছে যেমন ব্রোকাররা একটা কমিশন নেয়, এই কমিশনটার নামই হচ্ছে Bankerage! Bankerage টার্ম টা আপনি অনেক শুনবেন।

 

হারশাদ মেহতা, ফর দা ফার্স্ট টাইম ইন্ডিয়ান ইকোনোমিতে খুব সম্ভবত এই টার্মটার ইন্ট্রোডাকশন ঘটাইছিলেন, এন্ড এইটার জন্য কিন্তু ওকে অনেক জিনিয়াস ধরা হয়! ব্যাংকগুলা যেহেতু প্রফিট পাইতেছে, কমিশন পাইতেছে Bankerage আকারে, ওরা এটা নিতে কোনো ধরনের বাধা বিপত্তি ঘটাবে না। আর হারশাদ মেহতা কাইন্ড অফ ব্যাংকের টাকা দিয়া নিজে প্রফিট কামায়া আবার ব্যাংককে ফেরত দিতেছে!

এখন দেখেন এই পুরা সিস্টেমটা নিয়া কোনো ঝামেলা হইতো না যদি আমরা এরকম একটা দুনিয়া চিন্তা করতাম যেখানে হারশাদ মেহতা সবসময় স্টক মার্কেটের মধ্যে প্রফিটই কামাবে, কখনো তার লস হবে না! কিন্তু উল্টা দিক থেকেও চিন্তা করেন। ওর এই প্রফিটের কারণে দুইটা পক্ষের কিন্তু ক্ষতি হইতেছে।

একটা পক্ষ হচ্ছে সেই Bear Cartel, যাদের স্টকের প্রাইস কম রাখলে প্রফিট হয়। আরেকটা হচ্ছে, মানি মার্কেটের পুরাতন যেই ব্রোকাররা আছে, যেমন: সিটি ব্যাংকের মতোন ব্যাংকগুলা, ফরেইন ব্যাংক ওরা যেটা করতো, ওরা একটা মনোপলি ক্রিয়েট কইরা রাখতো! ওদের ব্রোকাররা মার্কেট প্রাইসের থেকে বেশি কোড করতো, বেশি ব্রোকারেজ ফি নিতো এন্ড দেশি ব্যাংকগুলাকে এইভাবে ওরা নিচে রাখতো সবসময়!

ঐ মনোপলিটা ভাঙ্গার জন্যই কিন্তু হারশাদ মেহতা ছোট ছোট ব্যাংক এবং ইন্ডিয়ার স্টেট ব্যাংক অফ ইন্ডিয়া সহ আরো কয়েকটা ব্যাংক মিলা, সরকারি ফান্ডগুলাকে মিলায়া, একটা তাদের আলাদা Cartel গঠন করার ট্রাই করছে, সিটি ব্যাংকের এই মনোপলিটা ভাঙার জন্য! এখন Bear Cartel আর মানি মার্কেটের পুরাতন প্লেয়াররা ওরা মিলে ঠিক করসে কিভাবে হারশাদ মেহতাকে আসলে নামানো যায়। ওর রেপুটেশন ধইরা প্রথমে টান দিতে হবে। কারণ স্টক মার্কেটের মধ্যে রেপুটেশনটা অনেক আসল একটা জিনিস! এর মধ্যে এসবিআই বা স্টেট ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়ার মধ্যে ৫০০ কোটি রুপির একটা স্ক্যাম ধরা পড়তে নিছে। Sitaraman নামে একজন ছিল যিনি ওই আগের মতন BR ইস্যু করসে স্টেট ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া থেকে, হারশাদ মেহতার কাছে। তো হারশাদ মেহতা এটাকে স্টক মার্কেটের মধ্যে ইনভেস্ট করবে, then প্রফিট কামাবে, then আবার ফেরত দিবে, নরমাল চিন্তাভাবনা। কিন্তু ওই সময় একটা সমস্যা দেখা গেছে। স্টক মার্কেট ওইসময় একটা ধর্মঘটের কারণে বন্ধ ছিল।

এবং SBI এর ভিতর থেকে কোনো একজন সোর্স, সেটা ধরা হয় মানি মার্কেটের মানুষদের ইশারাতেই টাইমস অফ ইন্ডিয়ার কাছে যায়া বইলা দিসে যে, দেখেন এইরকম একটা স্ক্যাম হইসে ৫০০ কোটি রুপি SBI এর একাউন্ট থেকে নাই!

দুইটা মিলায়া কী হইলো?

দুইটা জিনিসই কিন্তু একইসাথে হারশাদ মেহতার বিপক্ষে যাইতেছে! স্টক মার্কেট থেকে সে প্রফিট আনতে পারতেছে না, যেই কারণে ৫০০ কোটি রুপি আবার SBI কে ফেরত দিতে সে পারতেছে না। তার উপরে ২৩ এপ্রিল, ১৯৯২ টাইমস অফ ইন্ডিয়া থেকে তার বিরুদ্ধে ৫০০ কোটি রুপি স্ক্যামের একটা আর্টিকেল ছাপানো হয়। যেখানে ডিরেক্টলি তার নাম মেনশন করা হয় নাই, বাট তাকে “The Big Bull” নামে অভিহিত করা হইছে।

ওই জার্নালিস্টই কিন্তু হচ্ছে সুচিতা দালাল(Sucheta Dalal)।

Dalal from wiki…👀

সুচিতা দালাল এই স্ক্যাম ফাঁস করার কারণে পরবর্তীতে ২০০৬ এ সম্ভবত পদ্মশ্রী পুরস্কারে ভূষিত হইছে, যেটা ইন্ডিয়ার অনেক বড় একটা সম্মাননা!

Dalal receiving Padma Shri(2006)


দেখেন সুচিতা দালাল যখন হারশাদ মেহতা সম্পর্কে এই স্ক্যামের রিপোর্টটা ফাঁস করে দিছে। হারশাদ মেহতার রেপুটেশন কিন্তু অলরেডি গেছে, সাথে RBI(Reserve Bank of India) ইনভেস্টিগেশন শুরু করছে, ওর বাসার মধ্যে রেইড মারা শুরু হইছে। ওর উপর থেকে কিন্তু আস্থা হারায় যাইতেছিলো এবং আমরা জানি স্টক মার্কেট আসলে কতটা Volatile! স্ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো সামনে থেকে কোকাকোলার বোতল সরায় দিছে দেখে, কোকাকোলার স্টকের প্রাইস কীভাবে ফল করছিলো সেটা আমরা জানি।

১৯৯২ তেও ঠিক একইভাবে হারশাদ মেহতা সম্পর্কে যখন এই স্টোরিগুলা বাইর হইতেছিলো, এবং হারশাদ মেহতাও এই টাকাটা ফেরত দিতে পারতেছিলো না, তখন Drastically ওর যেই স্টকগুলা ছিলো ACC, Polo এই স্টকগুলার প্রাইস ফল করা শুরু করছে 4400% থেকে নেমে অনেক কমে চলে আসছে।

এবং এই স্টকের মধ্যে অন্য ইনভেস্টর যারা টাকা লাগাইছিল, যেহেতু হারশাদ মেহতা এইটা কিনছে এইটার মধ্যে টাকা লাগাইলে প্রফিট পাওয়া যাবে, হারশাদ মেহতা কিন্তু তৎকালীন সময়ে অমিতাভ বচ্চন বলা হইতো স্টক মার্কেটের এন্ড তার অনেক প্রভাব প্রতিপত্তি ছিল। ওই ইনভেস্টরদের সারা জীবনের ইনকাম ওইখানে গেছে। ওরা বিক্ষোভ করা শুরু করছে, হারশাদ মেহতার কুশপুত্তলিকা জ্বালানো শুরু করছে। পুরা রেপুটেশন একদম শেষ! সব মিলায়া খুবই টালমাটাল অবস্থা। এর মধ্যে মেহতা আবার আরেকটা কাজ করছে। ও SBI এর যে ৫০০ কোটি রুপি ছিল না, ওই রুপিটা রিফান্ড করার জন্য সে আবার গেছে আরেকটা ব্যাংক এর কাছে। National Housing Bank(NHB) যেটার প্রধান ছিল হচ্ছে M.J. Pherwani. ওই ব্যাংকের থেকে টাকা নিয়ে সে SBI কে দিছে। সো SBI এর হিসাব ক্লোজড! কিন্তু ওই NHB এর কাছে তো টাকা আছে, ওই টাকাটা সে এখন কীভাবে দিবে কারণ স্টক মার্কেট তো ক্র্যাশ কইরা ফেলসে। এখন মার্কেট ওপেন হইলেও সে প্রফিট কামাইতে পারবে না। এই টাকা কিন্তু আর ফেরত দেওয়া যাইতেছিলো না। এন্ড হারশাদ মেহতা এতদিন কিন্তু এইটাই করতো, ও মাল্টিপল পয়েন্টে এই ব্যাংক রিসিট ফ্রডটা করতো। এক ব্যাংকের টাকা অন্য ব্যাংক থেকে দিতো, আবার অন্য ব্যাংকের টাকা আরেকটা ব্যাংকের কাছ থেকে দিতো, এইজন্যই তাকে আসলে জিনিয়াস বলা হয়, যে এই লুপহোলটা সে আইডেন্টিফাই করতে পারছিলো! 

স্ক্যামের ঘটনা যখন ফাঁস হয়, এরপরে ফলোআপ স্টোরিতে আরো বড় স্ক্যামের ঘটনা ফাঁস হয়। টোটাল এই ব্যাংক রিসিট ফ্রডের মূল্যমান হচ্ছে প্রায় ৫০০০ কোটি রুপি!

এরমধ্যে যখন এই খবরও ফাঁস হয়া যায় যে, National Housing Bank ওরা হারশাদ মেহতাকে টাকা দিছে, SBI এর টাকাটা ভরণপোষণ করার জন্য। M.J. Pherwani যিনি অনেক রেপুটেড একজন মানুষ ছিলেন, তাঁকে তার বাসায় ডেড অবস্থায় পাওয়া যায়। বলা হয়, তার হার্ট অ্যাটাক হইছিল্‌ বাট অনেকে এইটা ধারণা করেন এইটা সুইসাইড ছিল! কারণ এই স্ক্যামের টাকা তিনি এখন কই থিকা দিবেন, এই টেনশন তার মধ্যে কাজ করতেছিলো। স্ক্যাম হওয়ার পরবর্তী কয়েকদিনে স্টক মার্কেট যখন ক্র্যাশ করছে, অনেক ইনভেস্টর সুইসাইড করছে। ইভেন এর মধ্যে হারশাদ মেহতার নিজের বন্ধুও ছিল! হারশাদ মেহতা পরবর্তীতে ডিসেম্বের ৩১, ২০০১ এ হার্ট অ্যাটাকে মারা গেছিলেন এবং তখনও তার নামে অনেকগুলা কেস চলতেছিলো। পলিটিক্যাল ক্ষেত্রেও বিশাল টালমাটাল অবস্থা তৈরি করছিলো এই স্ক্যাম। Narasimha Rao এর ফাইন্যান্স মিনিস্টার তখন ছিল কিন্তু Manmohan Singh. মনমোহন সিং আমাদের খুবই পরিচিত, উনি পরবর্তীতে প্রাইম মিনিস্টার হইছিলেন। তিনি কিন্তু তখন ফাইন্যান্স মিনিস্টার থেকে বা অর্থমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করতে চাইছিলেন, কিন্তু Narasimha Rao সেটা করতে দেন নাই।

Credit: www.hindustantimes.com

তৎকালীন সময়ে Reserve Bank of India(RBI) এর যে গভর্নর ছিলেন S. Venkitaramanan উনিও রিজাইন করতে চাইছেন।


ওভারঅল স্ক্যামটার পরে ইন্ডিয়ান স্টক মার্কেটে তিনটা ইম্পর্ট্যান্ট রেগুলেশন আনা হয়

১. ১৯৯৫ এ the Securities Laws (Amendments) Act এইটার মাধ্যমে SEBI(Securities and Exchange Board of India) ওদের হাতে রেগুলেশনের অনেক বেশি ক্ষমতা দেওয়া হয়।

২. ব্রোকারদের যে সেটেলমেন্ট সাইকেলটা ছিল ওইটা 1990s এর দিকে ছিল ১৪ দিন পর্যন্ত। ওইটাকে কমায়া মাত্র 2 দিনে আনা হয়, যাতে এই টাইমের মধ্যেই তাদেরকে স্টকটা বেঁইচা আবার ফুল মানি পে কইরা দিতে হবে এবং এইখানে কোনো ফ্রড যাতে না হয়।

৩. ১৯৯২ এর আগে সবকিছু ম্যানুয়ালি হইতো, আপনারা দেখছিলেন Sitaraman নিজে হাতে ওভাররাইট করে একটা নাম্বার চেঞ্জ করতেছেন। এই জিনিসটা আর এখন সম্ভব না তার কারণ পুরা জিনিসটাকে এখন ডিজিটাল করে ফেলা হইছে। এন্ড ডিজিটালি এই ব্যাংক রিসিটের ফ্রডগুলা ধরা অনেক বেশি সহজ। হারশাদ মেহতা আসলে একজন ক্রিমিনাল ছিলেন, নাকি একজন ভালো মানুষ ছিলেন, যিনি জাস্ট লুপহোলগুলাকে কাজে লাগাইছেন সিস্টেমের। এইটার পক্ষে-বিপক্ষে দুই জায়গাতেই মত আছে। যারা হারশাদ মেহতাকে জিনিয়াস ভাবেন তাদের পক্ষের লজিক হচ্ছে, তিনি ওইসময়কার রেগুলেশনের মধ্যে যেহেতু এই নিয়মগুলা ছিল না। উনি জাস্ট এই লুপহোলগুলাকে কাজে লাগাইছেন, এন্ড নিজে তার প্রফিট আর্ন করছেন, এইটাতে তার কোনো দোষ নাই! 

Credit: www.cnbc.com

 

হাশা মেহতার এই কাহিনী এনালাইসিস করতে যায়া আমার মাথার এক সাইডে পুরা ক্যান কইরা ব্যথা কইরা দিছিলো। সো মাথা ঠান্ডা করতে এখন আমরা চলেন মিম রিভিউ করি।

(1)

আমার কেন জানি মনে হয়, হারশাদ মেহতা টাইপের একটা স্ক্যাম নেক্সট স্ক্যাম যেইটা হবে সেইটা আমি বাংলাদেশ নিয়া বানাবো এবং দিন মনে হয় ঘনায়া আসতেছে!

 

(2)

আমার ভিডিওর এডের মধ্যে তো আমিই আসবো, আর কে আসবে বলেন? আমি আসাটাই ভালো না?

(3)

ফায়ারফক্সের মধ্যে ডোজের কালারটা খুব ভালোমতোনই মিলা গেসে, এইডা হইতে পারলে খুব ভালো হইতো। Dogecoin এর মধ্যে ওর ছবি তো অলরেডি আনছে।

(4)

অনেক আপভোট পায় এই লোক।

টিকটক রেফার করে কেমনে টাকা কামায়, আমি এই পর্যন্ত জানতে পারলাম না আসলে। এন্ড টিকটকের এড হরহামেশাই আমার ভিডিওর মধ্যে আইসা পরে। নেক্সটে হয়তো আমরা সবাই টিকটকার হয়া যাবো। আমি, ফারহান ভাই, সাদমান সবাই টিকটকার হয়া যাবো। দেখা যাক সামনে কী হয়।

 

আজকের লেখা এই পর্যন্তই। লাস্টেরদিকে মনে হয় আমার গলা একটু ভাইঙা গেসে, আপনারা এইটা একটু কনসিডার কইরেন সমস্যা নাই। (Ooops, এইটা তো ভিডিও না…😅)

হারশাদ মেহতা সম্পর্কে, Scam 1992 এর পুরা ব্যাপারটা আশা করি আপনারা বুঝতে পারছেন। এখন যদি আপনারা সিরিজটা দেখেন, তাইলে আরো ভালোমতোন জিনিসগুলাকে আইডেন্টিফাই করতে পারবেন বইলা আশা করি। এবং আপনারা আরো বেশি মজা পাবেন, এইটা আমি গ্যারান্টি দিতেছি। অনেকদিন পরে আমি এই বৈজ্ঞানিক রোস্টিং সিরিজের একটা আর্টিকেল লিখলাম, সমস্যা নাই, আপনারা একটু জানায়েন যে এই সিরিজে আর কোন কোন জিনিস এক্সপ্লেইন করা যায়। কোন কোন সিরিজ বা মুভি এক্সপ্লেইন করা যায় তাইলে আমি ওইটা করবো।

সবাই ভালো থাকবেন। সুস্থ থাকবেন।  আল্লাহ হাফেজ।😀

পুরা ভিডিও দেখেন ইউটিউবে!

Research Affiliates:

Labid Rahat: https://www.youtube.com/channel/UCTio…

Alif Arshad: https://www.facebook.com/alif.arshad.b

For Gaining more knowledge on this topic:-

Scam 1992 Explained: How Harshad Mehta, brokers and banks gamed the system

Economic Milestone: Stock Market Scam (1992)

The story of Harshad Mehta and five ways it changed Dalal Street

Decoding The Stock Market Scam Of 1992 By Harshad Mehta

Understanding Scam 1992

Sitaraman of SBI convicted 23 years after the Securities Scam of 1992 surfaced

Harshad Mehta scam: 10 key points of the scam that jolted India in 1992

The story behind Harshad Mehta’s ₹500 crore scam in 1992

Harshad Mehta real Office ||details of Harshad Mehta son Atur Mehta|| real videos of his office

Government Securities Market

Written by

Girgiti

23 Posts

We're Girgiti. We provide blog managing services to renowned YouTubers. Currently working with Enayet Chowdhury. Hoping to enhance the working area soon.E-mail: girgiti.business@gmail.com | Follow us on facebook for regular post updates of this blog: Girgiti
View all posts

Leave a reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *