কে – পপের জনপ্রিয়তার পেছনে দক্ষিণ কোরিয়ার সরকারের হাত | Rise of K-Pop Explained | Enayet Chowdhury

খুব সম্প্রতি “স্পাইডারম্যান নো ওয়ে হোম”(Spider-Man-No Way Home) এর ট্রেইলারের মধ্যে দুইজন পুরাতন ভিলেন ব্যাক করছে। একজন হচ্ছে গ্রিন গবলিন (Green Goblin) এবং আরেকজন হচ্ছে ডক্টর অক্টোপাস(Doctor Octopus)। ডক্টর অক্টোপাস এর “Hello Peter” ক্লিপ দেইখা আপাতত মার্ভেল ফ্যানরা একেবারে কাইত হইয়া পইরা আছে!

এই “Hello Peter” নিয়ে অলরেডি আমি আশা করি আপনারা অনেকগুলা মিম দেইখা ফেলছেন তার মধ্যে একটা হচ্ছে “Hello Peter” এর ইন্ডিয়ান/পাঞ্জাবি ভার্সন “Hello puttar”।

👳‍♂️

আর অনেকেই ইতোমধ্যে বাংলাদেশের অমিত হাসানই যে আসল ডক্টর অক্টোপাস বা আলফ্রেড মলিনা, এইটা আবিষ্কার করতে খুব বেশি একটা টাইম নেন নাই।

পই পই করে হিসাব রাখতে হবে😏

সাব্বাস Firm-Ad-9921। আর এই প্রথম আমি আমার লেখার শুরুতে কোনো মিমারকে দেখাইলাম। একটা জিনিস খেয়াল করেন, এই আমেরিকান “Hello Peter” মিম নিয়া বাংলাদেশ আর ভারতের মধ্যে লাফালাফি হইলেও ভারতের “Binod” মিম বা বাংলাদেশের সম্প্রতি যে “পই পই” মিম আছে এইগুলা নিয়ে কিন্তু আমেরিকা বা ব্রিটেনে লাফালাফি হয় নাই!

Binod

 

 

 

 

এইভাবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মতোন দেশগুলা যে তাদের সংস্কৃতিকে আমাদের দেশের সংস্কৃতির মধ্যে গোলায়া দিতে পারলো, এই গোলানোটাকে বলা হয় Globalization of Cultural Products বা সংস্কৃতির বিশ্বায়ন। যেই জিনিসটা এখন যুক্তরাষ্ট্র ছাড়াও আরেকটা দেশ খুব ভালোভাবে করতেছে, দেশটার নাম হচ্ছে দক্ষিণ কোরিয়া এবং তাদের সেই সোনার ডিম পাড়া হাসের নাম “কে-পপ”(K-pop) বা সাউথ কোরিয়ান পপ(South Korean pop)।

Oh yeaa!

কে-পপ এর ঘটনা কোনো রাতারাতি ঘটনা না, বরং দক্ষিণ কোরিয়া সরকার পরিকল্পিতভাবে এই জনরাটাকে দাড় করাইসে সেই দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পরবর্তী সময় থেকে। আজকে এই পুরো ব্যাপারটি আমি আপনাদের সামনে ব্যাখ্যা করবো। তো চলুন, শুরু করা যাক। 

 

হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন পলিটিকাল সাইন্টিস্ট আছেন যার নাম “জোসেফ নাই”(Joseph Nye)।

মি. নাই -_+

উনি ১৯৯০ সালে একটা টার্ম বলেন, যেটার নাম হচ্ছে “সফট পাওয়ার”(Soft Power)। আপনি দেখবেন, আমেরিকার Levi’s Jeans কিন্তু পুরা পৃথিবীর মধ্যে ইউজ হচ্ছে। Apple এর আইফোন, Marlboro সিগারেট, কোকাকোলার মতোন সফট ড্রিংকস যেগুলা আছে কিংবা হলিউড এর সেই মুভিগুলা, এই পুরা ব্যাপারটা দিয়ে আমেরিকা পুরা পৃথিবীর মধ্যে তাদের একটা স্পেসিফিক ইমেজ তৈরি করছে। তাদের একটা Domination বা আধিপত্য তৈরি করছে।এইযে একটা আধিপত্য বা ক্ষমতা, যেটা কোনো সামরিক পাওয়ার দেখায় না বা অর্থনৈতিক পাওয়ার দেখার না, এই পাওয়ারটাকেই বলা হয় “সফট পাওয়ার”(Soft Power) আর মিলিটারি বা ইকোনমিক পাওয়ারটাকে বলা হয় “হার্ড পাওয়ার”(Hard Power)। রিসেন্ট ওয়ার্ল্ডে এই সফট পাওয়ারই হচ্ছে আপনার এগিয়ে যাওয়ার জন্যে অনেক মূল একটা শক্তি যেটা ১৯৯০ এর পরবর্তী সময়ে দক্ষিণ কোরিয়া খুব ভালোভাবে ব্যবহার করছে।

 

দক্ষিণ কোরিয়ার সাংস্কৃতিক এই উত্থানটাকেই নাম দেওয়া হয় হালিউ(Hallyu) বা ইংরেজিতে কোরিয়ান ওয়েভ(Korean Wave) যেটার শুরুটা বেশ আগে থেকে ধরা হয়। ১৯৯৭ সালে এশিয়ায় একটা চরম ইকোনমিক ক্রাইসিস দেখা দেয়(1997-98 Asian Financial Crisis), পূর্ব এশিয়ার অনেকগুলা দেশের মুদ্রার মান ৩৮% নিচে নেমে যায়, তাদের ইন্টারন্যাশনাল স্টকগুলা প্রায় ৬০% Fall করে। অনেক দেশ তখন Protectionist নীতি অবলম্বন করতে থাকে, বেশ বেশি করে US ট্রেজারি বন্ড কিনতে থাকে। এই ক্রাইসিসের পরে কয়েকটা দেশ তাদের ইকোনমিকে একদম নতুনভাবে সাজায়, তার মধ্যে চারটা দেশ হচ্ছে থাইল্যান্ড, জাপান, ইন্দোনেশিয়া এবং দক্ষিণ কোরিয়া। তবে স্পেসিফিকভাবে কে-পপ এর শুরুটা আরো আগে ধরা হয়। ১৯৪৫ সালে যখন জাপানের দখল কোরিয়াতে শেষ হয়ে যায়, তখন USA সৈন্য কোরিয়ার মধ্যে আসতে থাকে এবং কোরিয়াতে তখন USA এর অনেক আর্মি থাকতো।তখন কোরিয়ান ব্যান্ডগুলা ওয়েস্টার্ন যে পপ মিউজিকগুলা আছে, সেগুলা আমেরিকান সৈন্যদের জন্যে তাদের সামনে বাজিয়ে শোনাইতো।এমনকি সেসময় মেরিলিন মনরো(Marilyn Monroe) কেও আইসা আমেরিকান সৈন্যদের চিয়ার আপ করতে দেখা যায়।

I found a dream Laying in your arms🙃

অনেকটা সে সময় থেকেই কে-পপ এর অরিজিনটা ধরা হয়।

এরপরে অনেকটা দুইজন বিপরীতধর্মী শাসক দক্ষিণ কোরিয়াতে শাসন করতে আসে। পার্ক চুং হি(Park Chung Hee) যিনি মূলত Industrialization বা শিল্পায়ন এর উপর বেশি জোর দিতে থাকেন, বিনোদনমূলক ইন্ডাস্ট্রিতে তিনি কোনো ধরনের গুরুত্ব দিতেন না।

ওরে একসময় মাইরা ফেলা হয় এবং এরপর থেকেই কোরিয়ার যে বিনোদন জগৎটা আছে, সেটার উত্থান আমরা দেখতে পাই।

স্যামসাং কোম্পানি কোরিয়ান ফিল্ম মেকিং এর পিছনে প্রচুর টাকা বিনিয়োগ করতে থাকে। ১৯৯৪ সালে সাউথ কোরিয়ান গভমেন্ট কাউন্সিল একটা প্রতিবেদন পাবলিশ করে যেখানে বলা হয় “জুরাসিক পার্ক”এর মতোন একটা ব্লকবাস্টার মুভি যদি আপনি বানাইতে পারেন, সেটা ১ মিলিয়ন কোরিয়ান গাড়ি বানানোর সমান মূল্যের বেনিফিট আপনাকে দিতে পারবে।

🤑

এইটাতেই বোঝা যায়, আপনার এন্টারটেইনমেন্ট ইন্ডাস্ট্রি যদি ব্লকবাস্টার হয়, আপনার ইকোনমিক ইন্ডাস্ট্রির সমতুল্য বা তার থেকেও বেশি বেনিফিট এটা আপনার জন্যে আনতে পারে যেটার প্রমাণ হচ্ছে এই BTS, যেটার প্রমাণ আজকের কে-পপ।এশিয়ান ফাইন্যান্সিয়াল ক্রাইসিস এর পরে প্রেসিডেন্ট কিম ডাই উং (Kim Dae-jung) কোরিয়ান কালচারকে Globalized বা বিশ্বায়িত করার চেষ্টা করেন।

একারণে দেখবেন, কে-পপ এর যে গানগুলা আছে, এগুলোতে ইচ্ছা করে ইংলিশ কিছু লিরিক্স রাখা হয় যাতে এটা একটা গ্লোবাল এটেনশন পায়, কারণ শুধুমাত্র কোরিয়ান লেংগুয়েজ থাকলে কিন্তু এটা এতটা এটেনশন পাইতো না। এরকম একই উদ্যোগ শুধু সাউথ কোরিয়াতেই না, Franklin D Roosevelt মহামন্দার পরে New Deal যেটা করছিলেন, সেটাও অনেকটা এরকম ছিল। ব্রিটেনের মিল্টন কিনেস (Milton Keynes) এটার একটা বড় উদাহরণ।সুইডিশ কালচারকেও তারা এভাবে Globalize করার চেষ্টা করছে। এই জায়গায় সবচেয়ে বড় অবদান ধরা হয় সুইডিশ ব্যান্ড “ABBA”।

আব্বা

আপনারা একটা বিখ্যাত গান জানেন ” It’s The Final Countdown”এই গানটা যে ব্যান্ড গাইছে তাদের নাম “ইউরোপ” এবং এইটাও কিন্তু একটা সুইডিশ ব্যান্ড।

আধুনিক পপ কালচারে কোরিয়ানদের যে পার্টিসিপেশন, এইটা শুধুমাত্র কে-পপ থেকে শুরু হয়নি, এটা সেই ১৯৫৯ সালেও ছিল। যখন কিম সিস্টার্স(The Kim Sisters) লাস ভেগাস এর মত জায়গায় তাদের পারফরমেন্স করতো, এড সালিভান শোতে(The Ed Sullivan Show) যাদেরকে ২২ বারের মতো আনা হইসিলো, যেই শো এর মধ্যে Beatles আসতো, এলভিস প্রিসলির(Elvis Presley) মত তারকারা আসতো। এই শো কে Greatest Shows of All Time এর মধ্যেও ইনক্লুড করা হইসে। অর্থাৎ, তারা আগে থেকেই কাজ করতেছিলো।

হ্যালিউর(Hallyu) অরিজিন বলতে গেলে টিভি ড্রামা এবং মুভির কথাও বলতে হবে। ১৯৯৯ সালে Swiri/Shiri নামে একটি কোরিয়ান মুভি পাবলিশ করা হয় যেটা সাউথ ইস্ট এশিয়ান কান্ট্রির মধ্যে ব্যাপক জনপ্রিয় হইসিলো। Swiri এর পর ২০০০ সালে আরেকটা ড্রামা সিরিজ আসে যেটার নাম Autumn in My Heart। এরপর ২০০১ সালে My Sassy girl এবং ২০০৪ সালে Winter Sonata তো আসছেই। এই মুভিগুলা শুধুমাত্র কোরিয়াতেই যে জনপ্রিয় হইসে তা নয়, এগুলা সিঙ্গাপুর, জাপান, তাইওয়ান, হংকং, চীন এমনকি ভিয়েতনামের মতোন দেশের মধ্যেও জনপ্রিয় হইসে।

 

এইবার আসা যাক, এই কাজগুলো করতে কী কী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হইসিলো। দুইটা গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট।

১.লোকাল কোরিয়ানরা যাতে বাইরে গিয়ে পড়াশোনা করতে পারে, বাইরে ভ্রমণে যাইতে পারে, এটার জন্যে যে নিষেধাজ্ঞা ছিল, সেটা উঠিয়ে দেওয়া হইসে। ফলে ১৯৯০ সালের পর থেকে প্রচুর কোরিয়ান মানুষ ওয়েস্টার্ন ওয়ার্ল্ডের মধ্যে যায় এবং USA ও ইউরোপ থেকে আর্ট, সিনেমা, মিউজিক সহ অন্যান্য ধরনের যে আর্ট ফর্মের এক্সপ্রেশনগুলা আছে , সেগুলা কোরিয়ান কালচার এর মধ্যে adopt করায়।

২. Restructurimg Korean Chaebols

কোরিয়ান শব্দ “chae” মানে হচ্ছে wealth বা সম্পদ। আর “bol” মানে হচ্ছে clan বা গোষ্ঠীর মতোন। যে গোষ্ঠীর কাছে সম্পদ থাকে, তাদেরকে “Chaebol” বলা হয়। এবং এরা শুধুমাত্র একটা ইন্ডাস্ট্রতেই ইনভেস্ট করে এমন না, বিভিন্ন ধরনের ইন্ডাস্ট্রিতে তাদের সাবসিডিয়ারি (Subsidiary) থাকে। যেমন স্যামসাং একটি দক্ষিণ কোরীয় কোম্পানি এবং একইসাথে তারা একটি দক্ষিণ কোরীয় Chaebol, যারা ১৯৯৭/৯৮ ক্রাইসিসের পরে পুরা কোরিয়ান ইকোনমিতে একটা ভালো পুশ করছিলো। এইটা স্যামসাং কিন্তু স্পন্সর করে নাই, ওরা শুধু সাদমান সাদিক আর জুবায়ের তালুকদারের ভিডিও স্পন্সর করে।:(

 

এবার কথা বলা যাক, কে-পপ এর আসলে ইকোনমিক প্রভাব টা কি? ২০১৮ সালে বিবিসি এর অ্যাডেলে রবার্টস (Adele Roberts) কে-পপ এর উপরে একটা ডকুমেন্টারি করে, সেখানে সে একজন স্কটিশ মেয়েকে দেখায় যেই মেয়েটা স্কটল্যান্ড থেকে শুধুমাত্র BTS এর প্রেমে পইরা কোরিয়াতে পার্মানেন্টলি থাকা স্টার্ট করছে।

প্রেমের টানে সবাই খালি বাংলাদেশেই আসে না, সাউথ কোরিয়াতেও যায়

লস এঞ্জেলসে কে-পপ এর যে বার্ষিক কনভেনশন হয়, সেটার মধ্যে প্রায় ৪০ হাজার পার্টিসিপেন্ট অংশগ্রহণ করে। ২০১৭ সালে হুন্দাই রিসার্চ ইনস্টটিউট (Hyundai Research Institute) তাদের একটা গবেষণায় দেখায়, ওইসময় সাউথ কোরিয়ায় প্রতি ১৩ জনের একজন ট্যুরিস্ট আসতো শুধুমাত্র BTS এর জন্যে। ২০১৮ সালে হুন্দাই রিসার্চ ইনস্টিটিউট (Hyundai Research Institute) আবারও বলে শুধুমাত্র BTS দক্ষিণ কোরিয়ার অর্থনীতিতে প্রত্যেক বছর প্রায় ৩.৫৪ বিলিয়ন ডলার অ্যাড করে এবং আগামী ১০ বছরে প্রায় ৫০ বিলিয়ন ডলার অ্যাড করবে।  এটা ২০১৮ সালের উইন্টার অলিম্পিকের আয়ের থেকেও বেশি যেটা একা BTS সাউথ কোরিয়ার জন্যে নিয়ে আসতেছে।BTS এর আগেও যখন Winter Sonata পাবলিশ হইসিলো, তখন Chuncheon এর Nami আইল্যান্ড ভিজিট করার জন্যে প্রায় ৬৫০০০০ ভিজিটর আসে।

তাছাড়া ২০১২ সালে যখন Psy এর Gangnam Style ভিডিওটা পাবলিশ হয় যেটা ইউটিউব এর প্রথম ভিডিও যা ১ বিলিয়ন ভিউ হিট করছে। ওইটার জন্যেও সাউথ কোরিয়া ট্যুরিজমে অনেক বড় একটা বুম আসে।

তবে এই পুরা কে-পপ জিনিসটার কিছু বাজে দিক আছে। এরমধ্যে তিনটা দিক ইঙ্গিত করে ওদের লাইফস্টাইলটা খুব হার্ড। যেমন কে-পপ এর মধ্যে রিক্রুট করার আগেই মেম্বারদেরকে বলে দেওয়া হয়:

১. ওদের কোনো গার্লফ্রেন্ড/বয়ফ্রেন্ড থাকা যাবে না। কোনো রিলেশনশিপ এ থাকা যাবে না।

২. যেহেতু ওদের রাতে অনেক লেট পর্যন্ত প্র্যাকটিস করতে হয়, তাই ওদের একটা নির্দিষ্ট হাউজ এর ভিতর থাকতে হয়।

৩. বাইরের কোনো লোক যদি দেখা করতে আসে, তাইলে প্রথমেই কর্তৃপক্ষকে জানিয়ে রাখতে হয় যাতে পরবর্তীতে কোনো সমস্যা না হয়। 

কে-পপ স্টারদের ধরা হয়, তারা তাদের ফ্যানদের সাথে রিলেশনশিপে আছে এবং যদি ওরা পার্সোনাল রিলেশনশিপে যায়, তাইলে ধরা হয় ওদের পপুলারিটি কমে যেতে পারে। এরই একটা খুব দুঃখজনক ঘটনা হচ্ছে ডিসেম্বর ১৮, ২০১৭ তে কে-পপ ব্যান্ড SHINee এর একজন মেম্বার Jong-hyeun সুইসাইড করে এবং তার সুইসাইড নোট এর মধ্যে ডিরেক্টলি বলা ছিল যে, এই কে-পপ রিলেটেড যে ফেম কিংবা এটার যে প্রেসার আছে, সেটার জন্যেই তার ডিপ্রেশন দেখা গেছিলো।

তাছাড়া Adele Roberts দেখান, এই কে-পপ স্টারদের একটা স্পেসিফিক ডায়েট মেইনটেইন করতে হয়, ওদের এতটা পরিমাণ প্র্যাকটিস করতে হয় যে ২ থেকে ৩ ঘণ্টা ঘুমানোর পরে আবার সকালে তাদেরকে ট্রেনিং এর জন্য যাইতে হয়।

একটা জিনিস খুব ভালোমতো ক্লিয়ার রাখা দরকার, কে-পপ সাউথ কোরিয়ার একমাত্র মিউজিক না, এইটা শুধুমাত্র একটা জনরা। এছাড়াও সাউথ কোরিয়ান মিউজিক এর মধ্যে রক, হেভি মেটাল, হিপহপ কিংবা ক্লাসিকাল মিউজিক আছে।জিনিসগুলা অনেক diversified কিন্তু কে-পপ এত বেশি পরিমাণে ফোকাস পাইসে তার কারণ এইটাকে ইচ্ছাকৃতভাবে এত বেশি পরিমাণে ইন্টারন্যাশনালাইজ/গ্লোবালাইজ করা হইসে।এমনকি সাউথ কোরিয়ার অনেক মানুষ কে-পপকে রিয়েল মিউজিক হিসেবে গণ্যই করেনা, কারণ এইটাকে তারা ম্যানুফ্যাকচারড বা আন-অরিজিনাল ভাবে। তারা এটা বলে সমালোচনা করে যে এগুলার ইংলিশ কিছু কিছু ফ্রেজ এর আসলে কোনো অর্থবোধকতাই নাই। আরেকটা জিনিস, BTS শুধুমাত্র কে-পপ কে রিপ্রেজেন্ট করে না, এটা ইন্ডিভিজুয়ালি কিন্তু খুবই ভালো একটা ব্যান্ড। ওদের “Love Yourself” Billboard 200 এর মধ্যে নম্বর ওয়ান হয়!(এটা কিন্তু শুধু কোরিয়ান না,বরং প্রথম এশিয়ান কোনো মিউজিক ব্যান্ড যারা এটা করতে পারছিলো।) পরবর্তীতে “Love Yourself Tear” এর পরে যখন তারা “Love Yourself Answer” ও বের করে, তখন ওরা প্রথম নন ইংলিশ আর্টিস্ট হয় যারা Billboard 200 এ নাম্বার ওয়ান জায়গা দুইবার নিতে পারছে। তাই যখন মিডিয়ার মধ্যে BTS কে ফার্স্ট কে- পপ ব্যান্ড বা ফার্স্ট কে-পপ অ্যাক্ট হিসেবে সিগনিফাই করার চেষ্টা করা হয়, তখন ওদের এই কন্ট্রিবিউশনগুলাকে আসলে গ্লোরিফাই করা হয় না, যেটার সমালোচনা অনেকেই করে থাকে।

BTS আসলে কে-পপ এর থেকেও অনেক বড় কিছু, এটা একটা International Entity হিসেবে জায়গা করে নিছে।

BTS এর ফুল ফর্ম হচ্ছে Bangtan Sonyeondan যার ইংলিশ করলে হয় Bulletproof boy scouts।BTS এর একজন মেম্বার J-Hope বলছিলো এই নামকরণটা এরকমভাবে হইসে যে সমাজে যেসব স্টেরিওটাইপ, ক্রিটিসিজম বা ফালতু এক্সপেক্টেশনগুলা আছে এগুলা কাইন্ড অফ বুলেটের মতো কাজ করে এবং ওরা একটা বুলেটপ্রুফ আর্মার হয়ে দাঁড়াইতে চায় এই জিনিসগুলার বিরুদ্ধে। তাই ওদের নাম Bulletproof Boy Scouts।

এই নেন ফমান😐

ওদের কোরিওগ্রাফার নিজেই স্বীকার করছে যে J-Hope হচ্ছে BTS এর সবচেয়ে ভালো ড্যান্সার।

 

ওকে এখন আমরা মিম রিভিউ তে যাবো! 

raiyanu: 

এই Shrek আর Hulk রে নিয়া যে কী সব মিম হইতেছে! 480p তে আপনি দেখবেন হাল্ক, আর 1080p তে দেখবেন শ্রেক।

ReceptionGood1814:

ওকে আজকের লেখা এই পর্যন্তই। আমি আশা করি কে-পপের প্রাথমিক ধারণাগুলা আপনি পাইসেন। সবাই ভালো থাকবেন, সুস্থ থাকবেন। আল্লাহ হাফেজ।

পুরা ভিডিও দেখেন ইউটিউবে!

Research Lead: Enayet Chowdhury

Research Affiliates:

Labid Rahat: https://www.youtube.com/channel/UCTio…

Alif Arshad: https://www.facebook.com/alif.arshad.b

For Gaining more knowledge on this topic:-

The surprisingly political history of K-pop

Here’s How The South Korean Government Helped K-pop Rise to Global Fame

How The South Korean Government Made K-Pop A Thing

BTS and EXO: The soft power roots of K-pop

K-Pop: Korea’s Secret Weapon?

Asian Financial Crisis

Korean Wave (Hallyu) – The Rise of Korea’s Cultural Economy & Pop Culture

The “BTS Effect” on South Korea’s Economy, Industry and Culture

Why I get Annoyed with the Word “K-Pop” When Used with BTS

60 years before BTS, the Kim Sisters were America’s original K-pop stars

K-pop group BTS’s annual economic value estimated at 4 tln won: report

HRI Original Report(Economic Effects of BTS)

K-pop Group BTS Induces Production Worth 4 Tril. Won per Year

K-drama fever impacts other industries

Gangnam Brings Fans—and Tourism Revenue—to Korea

K-pop star’s suicide note reveals pressures of fame, depression that ‘consumed’ him

BTS, Selena, The Singing Nun & More: Non-English No. 1 Albums on the Billboard 200 Chart

Written by

Girgiti

23 Posts

We're Girgiti. We provide blog managing services to renowned YouTubers. Currently working with Enayet Chowdhury. Hoping to enhance the working area soon.E-mail: girgiti.business@gmail.com | Follow us on facebook for regular post updates of this blog: Girgiti
View all posts

Leave a reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *